২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ২ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

২০ বছর পর লালমোহনের মানুষের স্বপ্ন পূরণ ॥ মিষ্টি বিতরণ


হাসিব রহমান, লালমোহন থেকে ফিরে ॥ ভোলার লালমোহন উপজেলার ধরিগৌর নগর ইউনিয়নের অর্ধলক্ষাধিক মানুষের দুঃখ রাক্ষুসে মেঘনা। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর সহায় সম্বলহারা শত শত পরিবারে সেই দুঃখের পর এবার তারা আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছে। নতুন করে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুনবী চৌধুরী শাওন ভাঙ্গন রোধকল্পে নদী সংরক্ষণ কাজ উদ্বোধন করেন। এরপর ওই ইউনিয়নের মানুষ আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে। মসজিদে দোয়া করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয় মিষ্টি। মেঘনার ভয়াল ছোবলে হাজার হাজার নিঃস্ব মানুষের চোখে মুখে আবার নতুন করে স্বপ্ন জেগে উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছে, ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা না নেয়ায় গত ২০ বছরে লালমোহনের ধরিগৌরনগর ইউপির ফলফা খালী, কালির চর, কু-তলা, খামারের খাল, চেয়ারম্যান বাজার, নক্তি খালি, ফেদা কালী, মৃধারহাট ও পাটোয়ারী বাজারসহ বহু এলাকা মেঘনা গর্ভে বিলীন হয়। এতে সেখান রবিশস্য, ধানক্ষেত স্কুল, সাইক্লোন সেল্টার, স্কুল, মাদ্রাসা, বিভিন্ন স্থাপনাসহ কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়। ভাঙ্গনকবলিত এলাকার বাসিন্দা আমির হোনের, কাসেম আলীসহ অন্যরা জানান, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তারা ভাঙ্গন রোধের দাবি জানিয়ে আসলেও বাস্তবায়িত হয়নি। অথচ গত বিএনপি জোট সরকারের আমলে ভোলা-৩ আসনে সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদমন্ত্রী ছিল মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। কিন্তু তিনি মন্ত্রী হয়েও ওই এলাকার ব্লকবাঁধ দিতে পারেনি। এলাকাবাসী জানান, ব্লকবাঁধ হওয়ার খবরে এখন অনেকেই এলাকায় স্থায়ীভাবে ঘর তৈরির জন্য জমি ক্রয় করছে। কেউ কেউ ঘর তুলছে।

বাউফলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম

নিজস্ব সংবাদদাতা, পটুয়াখালী, ১৭ জানুয়ারি ॥ বাউফল উপজেলার সূর্যমনি ইউপি সদস্য শাহাবুদ্দিন মেম্বরকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে একই পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বাচ্চু মিয়া। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সন্ধ্যায় সূর্যমনি ইউনিয়নের গাজীমাঝি গ্রামে। জানা যায়, সূর্যমনি ইউপি চেয়ারম্যান বাচ্চু মিয়ার ভাই শাহ আলম গাজীমাঝি গ্রামে চায়ের দোকানি জালাল সিকদারের দোকানে চা-সিগারেট বাকি খায় প্রায় এক হাজার টাকার। ঘটনার দিন জালাল সিকদার পাওনা টাকা চাইলে শাহ আলমের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। খবর পেয়ে ঐ এলাকার ইউপি সদস্য শাহাবুদ্দিন ঘটনাস্থলে এসে সব শুনে বিষয়টি চেয়ারম্যান বাচ্চু মিয়াকে অবহিত করে। চেয়ারম্যান শুক্রবার সন্ধ্যায় এসে তার ভাইয়ের কাছে টাকা চাওয়ার সাহস কার এমন কথা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার এক পর্যায়ে ঐ এলাকার ইউপি সদস্য শাহাবুদ্দিন ও দোকানদার জালাল সিকদারকে বেধরক মারধর করে।