২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

শীতের নান্দনিক অনুষঙ্গ


শীতযেন আরও জেঁকে বসেছে। গাড়ো কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে প্রকৃতি। সূর্য্যরে বিকিরণ যেন আলো-ছায়ার খেয়া তৈরি করে সকাল থেকেই। শিশির ভেজা পাতাগুলো জানান দেয় শীত এখনও ফুরিয়ে যায়নি। শীতের সকালে আরমোড়া ছেড়ে বিছানা থেকে উঠতেই যেন মন চায় না। কিন্তু তাই বলে থেমে থাকবে না জীবন গতি। কর্মময় জীবনে কাজের তাগিদে বের হতেই হবে, তবে বাইরে বের হওয়ার আগে শীত থেকে নিজেকে বাঁচাতে যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে রাখতে হবে। বিশেষ করে কাপড় ও শীত এর অন্যান্য অনুষঙ্গ প্রস্তুত রাখা উচিত। যেমন : সুয়েটার, জেকেট, কানটুপি, হাতমোজা, মাফলার, ব্লেজার ইত্যাদি। শীতের সময়টাকে বলা হয় ফ্যাশনের অন্যতম ঋতু। প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পরার মধ্যেও যেন ফ্যাশানেবল ভাবটা ফুটে ওঠে সে দিকটায় এখন বেশ সচেষ্ট ফ্যাশন হাউসগুলো। একটা সময় ছিল যখন শীত নিবারণের জন্যই গরম বা মোটা কাপড় পরা হতো। এখন সে ধারা বদলে গেছে অনেকটাই। দিন যতই এগোচ্ছে মানুষ ততই ফ্যাশন সচেতন হয়ে উঠছে। তারই প্রভাব পড়ছে শীতের পোশাকগুলোর ওপর। এখন ফ্যাশন হাউসগুলোতে শোভা পায় ফ্যাশনেবল সব শীতের পোশাক। এদিকটায় শীতের অনুষঙ্গগুলো যেন আরও এক ধাপ এগিয়ে। শীতে বাড়তি সতর্কতার জন্য ব্যবহারিত মাফলার, কানটুপিগুলো যেন সেজেছে নানা রঙের বৈচিত্র্যে। বিভিন্ন ফ্যাশান হাউসগুলোতে তাকালেই দেখা যাবে আকর্ষণীয় সব মাফলার, কানটুপি ও হাত মোজা। শীতের এই অনুষঙ্গগুলো ফ্যাশান ট্র্রেইন্ডকে আরও বেশি বর্ণিল করে তোলে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে এই অনুষঙ্গগুলো যেন খুব বেশি কাছে টানে। হাত বাড়ালেই এখন দেখা মিলবে নান রং ও বৈচিত্র্যে এই অনুষঙ্গগুলো, দাম ও হাতের নাগালেই। এক একটি মাফলার বিক্রি হচ্ছে একশত পঞ্চাশ টাকা থেকে পাঁচশত টাকা পর্যন্ত। কানটুপি মিলবে একশ’ থেকে ছয়শ’ টাকার মধ্যে। হাত মোজা পাওয়া যাবে একশ’ বিশ টাকা থেকে পাঁচশ’ টাকার মধ্যে। ফ্যাশনেবল কেস পাওয়া যাবে দুইশ’ টাকা থেকে বারোশ’ টাকার মধ্যে। সাধারণত আজিজ সুপার মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি থেকে শুরু করে বাড়ির কাছের ফ্যাশন হাউসগুলোতেও এ সময় দেখা মিলবে শীতের নান্দনিকঅনুষঙ্গগুলো।

ছবি: নাদিম

মডেল: জিতু, রাহা ও অহনা