২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ওয়ার্ল্ড কাপ ক্রিকেট-৬


বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আর খুব বেশি দেরি নেই। ১৪ ফেব্রুয়ারি উঠবে ১১তম বিশ্বকাপের পর্দা। ১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্বকাপের অবকাঠামো ছিল গ্রুপ পর্বে ৮টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। এরপর সেমি-ফাইনাল তারপর ফাইনাল। দ্বিতীয় বিশ্বকাপেও একই অবকাঠামো বহাল থাকে। তৃতীয় ও চতুর্থ বিশ্বকাপে এর সঙ্গে যোগ হয় গ্রুপ লীগে প্রত্যেক দল দুইবার করে একে অপরের মোকাবেলা করা। পঞ্চম বিশ্বকাপে অবকাঠামোয় রদ-বদল করা হয়। ১৯৯১ সালে দ. আফ্রিকার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে আইসিসি তাদের বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার অনুমতি দেয়। ফলে এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দল সংখ্যা হয় ৯টি। ফলে এবার গ্রুপ লীগ পদ্ধতির বদল হয়। খেলা হয় রাউন্ড রবিন লীগ পদ্ধতিতে। ফলে গ্রুপ পর্বে প্রত্যেক দল একে অপরের মোকাবেলা করে। ১৯৯৬ সালে আবার গ্রুপ পর্বে সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতি চালু করা হয় এবং গ্রুপ পর্বের পর কোয়ার্টার ও সেমি-ফাইনাল তারপর ফাইনাল। ১৯৯৯ সালে সুপার সিক্স পদ্ধতি চালু হয়। দুই গ্রুপের শীর্ষ ৬ দল সুপার সিক্সে খেলে। এরপর সেমি-ফাইনাল তারপর ফাইনাল। ২০০৩ সালে আবার সুপার সিক্স পদ্ধতি চালু হয়। দুই গ্রুপের শীর্ষ ৬ দল সুপার সিক্সে খেলে। এরপর সেমি-ফাইনাল তারপর ফাইনাল। ২০০৭ সালে সুপার এইট পদ্ধতি চালু হয়। দুই গ্রুপের শীর্ষ ৮ দল সুপার এইটে খেলে। এরপর সেমি-ফাইনাল তারপর ফাইনাল। ২০১১ সালেও সুপার এইটের পর সেমি-ফাইনাল তারপর ফাইনাল। লর্ডস থেকে মেলবোর্ন। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ৪০ বছর। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ৪০ বছরের পথচলা নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আয়োজন ‘রোড টু মেলবোর্ন’। লিখেছেন : কথা সাহিত্যিক ও সাহিত্য সংগঠক : সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ