২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

দিনাজপুরে ৩০ কেজি ফুলকপির মূল্যে এক কেজি পেঁয়াজ


স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ ২০ দলীয় ঐক্যজোটের আহ্বানে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ফলে দিনাজপুরের বাজারগুলোতে কমেছে কাঁচা সবজির দাম। এখন ফুলকপি কেজিতে নয় বস্তা দরে বিক্রি হচ্ছে। ১ বস্তা (৩০ কেজি) ফুলকপি বিক্রির টাকা দিয়ে ১ কেজি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে কৃষককে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ জনপদ দিনাজপুরে তেমন কল-কারখানা না থাকায় এখানকার মানুষদের বেশিরভাগকেই নির্ভর করতে হয় কৃষির ওপর। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে বাজারে প্রতি কেজি ফুলকপি ৭০-৮০ টাকা বিক্রি হয়েছে। সম্প্রতি দেশে রাজনৈতিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে, বিরোধী দল একের পর এক অবরোধ ও হরতাল ডাকে। এতে কৃষকের উৎপাদিত সবজির বাজারে ধস নামে। অন্যান্য সবজির তুলনায় ফুলকপির দামে বেশি প্রভাব পড়ে। কারণ এখানকার উৎপাদিত ফুলকপি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকায় পাইকারি বাজারে এবং দেশের বিভিন্ন হাটবাজারে সরাসরি বিক্রি করা হতো। কিন্তু অবরোধ, হরতাল থাকার কারণে বাইরের বাজারে ফুলকপি পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে বাজারে প্রচুর ফুলকপি আমদানি হলেও প্রয়োজনের তুলনায় ক্রেতা নেই, তাই চাষীদের পানির দামে ফুলকপি বিক্রি করতে হচ্ছে।

শনিবার সকালে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা ১ বস্তা ফুলকপি ৩০ টাকায় বিক্রি করছেন এবং ১ কেজি পেঁয়াজ কিনছেন ৩০ টাকা দিয়ে।

কিশোরগঞ্জে ৩৯ দিন পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন

নিজস্ব সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ, ১০ জানুয়ারি ॥ জেলার বাজিতপুরে আদালতের নির্দেশে দাফনের ৩৯ দিন পর নিহত কৃষক নূরুল হুদার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও এ.জেড.এম সারজিল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ বাজিতপুর পৌরসভাধীন পশ্চিম কইলানপুরের পারিবারিক কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন করে। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নন্দীগ্রামের মৃত নবী হোসেনের ছেলে কৃষক নূরুল হুদা বাজিতপুর হাওরের মেরাজুড়ির বন্দে কৃষি কাজ করতে যায়।

পরে ২০১৪ সালের ২ ডিসেম্বর নূরুল হুদা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে নিহত হয়েছে জানিয়ে পরিবারের লোকজনের সম্মতিতে লাশ দাফন করা হয়। পরবর্তীতে মৃত্যু নিয়ে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হলে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর নিহতের স্ত্রীর বড় ভাই তাহু মিয়া বাদী হয়ে তারই বড় ভগ্নিপতি মোঃ আসাদ মিয়াকে একমাত্র আসামি করে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।