২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মানুষের আয়ু বাড়াতে সহায়তা করে সূর্য


সূর্য শান্ত থাকার সময়ে যেসব মানুষ জন্ম নেয় তারা সাধারণত দীর্ঘায়ু হয়। বুধবার প্রকাশিত নরওয়ের বিজ্ঞানীদের করা এক সমীক্ষার ফলে এ কথা বলা হয়েছে। তারা দেখতে পেয়েছেন সৌর রশ্মি শান্ত থাকা অবস্থায় জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা সৌরম-ল উত্তপ্ত থাকা অবস্থায় জন্মগ্রহণকারীদের চেয়ে অন্তত পাঁচ বছর বেশি বাঁচেন। Ñএএফপি।

প্রসিডিংস অব রয়্যাল সোসাইটি বি’তে প্রকাশিত নরওয়েজিয়ান ইউনিভর্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির গবেষকদের করা সমীক্ষায় ১৬৭৬ থেকে ১৮৭৮ সাল পর্যন্ত লোকজনের আয়ু ও তাদের জন্মের সময় সূর্যের অবস্থা বিবেচনা করা হয়েছে। তারা লক্ষ্য করেছেন শক্তিশালী সৌর শিখা ও ভূচৌম্বক ঝড় মানুষের গড় আয়ুকে ৫.২ বছর পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, জন্মকালীন সৌরম-লের অবস্থা মানুষের আয়ুকে প্রভাবিত করে। এ ক্ষেত্রে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের ওপর প্রভাব বেশি পড়ে বলে তারা জানিয়েছেন। সৌরপৃষ্ঠে দাগ বা কলঙ্ক, সৌরশিখা এবং সূর্যের অভ্যন্তরীণ বিক্রিয়ার মাত্রা বেড়ে গেলে সূর্যের শক্তি বিকিরণ ক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়া সৌরপৃষ্ঠে চৌম্বক শক্তির প্রাবল্যও এর সঙ্গে জড়িত। এসব ঘটনা যখন ঘটে তখন পৃথিবীতে বেতার ও টেলিযোগাযোগ ব্যাহত হয়। সূর্য শান্ত থাকা ও অশান্ত হয়ে ওঠার ১১ বছরের একটি চক্র আছে। গবেষকরা বলছেন, সূর্যের ঘটনা প্রবাহের সঙ্গে অতিবেগুনি রশ্মি বিকিরণের সম্পর্ক আছে। তারা মনে করেন, মানুষের প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপরও বিষয়টি ছায়াপাত করে।