২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

চট্টগ্রামে ৫ জানুয়ারি নিয়ে দুই দলের পাল্টা কর্মসূচী


স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ আগামীকাল ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচীকে ঘিরে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। উভয় সংগঠনের পক্ষ থেকে ওই দিন মাঠে থাকার কর্মসূচী ঘোষণা করায় জনমনে নানা শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।

চট্টগ্রামে বিএনপি সূত্রে জানানো হয়েছে, তারা যে কোন মূল্যে সমাবেশ করবে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে পুলিশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। সমাবেশ অনুষ্ঠানে তাদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। অপরদিকে, চট্টগ্রাম মহানগরী আওয়ামী লীগ শনিবার বিকেলে বর্ধিত সভা আহ্বান করে ওই দিন নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। উভয় সংগঠনের পক্ষ থেকে এও বলা হয়েছে, নগরীর ৪১ ওয়ার্ড ও থানাগুলোতে তারা সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করবে। বিগত সংসদ নির্বাচনে বর্ষপূর্তিকে ঘিরে ৫ জানুয়ারির এ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে অজানা শঙ্কার উত্তাপ ছড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ করবে গণতন্ত্রের বিজয়ে সমাবেশ। অপরদিকে, বিএনপি ডাক দিয়েছে গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালনের।

সিএমপি সূত্রে জানানো হয়, তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে মাঠে থাকবে। বিএনপির সমাবেশ অনুষ্ঠানের আবেদনের বিষয়ে জানানো হয়, এ বিষয়ে সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ এখনও সিদ্ধান্ত প্রদান করেনি। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে। যেহেতু দুটি বড় রাজনৈতিক দল ওই দিন পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডেকেছে সে কারণে কাউকে প্রকাশ্যে মিটিং মিছিল করতে দেয়ার সুযোগ দেয়া নাও হতে পারে। সরকারী দল ওই দিন মাঠে থাকার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে সূত্র জানায়, শান্তিপূর্ণভাবে মাঠে অবস্থান নেয়া রাজনৈতিক অধিকার। কিন্তু তাই বলে সরকার ও মানুষের জানমালের ক্ষতি হয় এমন কোন কর্মসূচী হতে দেয়া হবে না। অপর একটি সূত্র জানায়, বিএনপি নগরীর কাজীর দেউড়ি ও দলীয় কার্যালয় সম্মুখে সমাবেশের যে আবেদন করেছে তা নিয়ে দলের নেতাকর্মীরা অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বরাবরের ন্যায় তাদের দলীয় কার্যালয়ের সম্মুখে সমাবেশ করেই কর্মসূচী সম্পন্ন করা ছাড়া কোন গত্যন্তর থাকবে না। বিকেলে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দলীয় সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। সভায় ৫ জানুয়ারি নগর জুড়ে প্রতিটি পয়েন্টে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঠে অবস্থান নেয়ার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে।