১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কমিউনিটি ক্লিনিক গতিশীল করতে নতুন আইন হচ্ছে


নিখিল মানখিন ॥ কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নতুন আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। আইনটির নাম দেয়া হয়েছে ‘কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট আইন-২০১৪’। ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে আইনটির খসড়া। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে অর্থ সংগ্রহ এবং ব্যবহারের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনায় সহায়তা করাই আইনটির মূল উদ্দেশ্য। স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে অংশীদারিত্বমূলক মনোভাব তৈরির লক্ষ্যে স্বাস্থ্যসেবা মান উন্নয়নে তাদের পরামর্শ/ মতামতের ভিত্তিতে ট্রাস্টের তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্য/মঞ্জুরি প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে। বিশেষ ক্ষেত্রে অতি দরিদ্র রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য উচ্চতর পর্যায়ে প্রেরণের ব্যয় নির্বাহ করাও আইনটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের গ্রামীণ সুবিধা বঞ্চিত জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহায়তা চাওয়া হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকে বেসরকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব তৈরি করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়। এই আইন বলবৎ হওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সরকার এই আইনের বিধান অনুযায়ী কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট স্থাপন করবে। সরকারের উন্নয়ন বা অনুন্নয়ন বাজেটের বাইরে বিশেষ প্রয়োজনে গ্রামীণ সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য এই ট্রাস্টের তহবিল ব্যবহার করা হবে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকে আরও টেকসই করা হবে। স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে অংশীদারিত্বমূলক মনোভাব তৈরির লক্ষ্যে স্বাস্থ্যসেবা মান উন্নয়নে তাদের পরামর্শ/ মতামতের ভিত্তিতে ট্রাস্টের তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্য/মঞ্জুরি প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে। ক্লিনিক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়সহ বিদ্যুত বিল প্রদান ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য ট্রাস্টের তহবিল ব্যবহার করা হবে। সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানসহ মাতৃ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে এমএসআর (মেডিক্যাল ও সার্জিকেল রিকুইজিত) সামগ্রী ক্রয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে অতি দরিদ্র রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য উচ্চতর পর্যায়ে প্রেরণের ব্যয় নির্বাহ করাও আইনটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

খসড়া আইনে আরও বলা হয়েছে, যে সব উৎস থেকে সহায়তা নেয়া যাবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- সরকার কর্তৃক প্রদত্ত জাতীয় বাজেট হতে প্রাপ্ত অর্থ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দান ও অনুদান, বিভিন্ন অর্থ লগ্নীকারী প্রতিষ্ঠানের (ব্যাংক, বীমা) আর্থিক সহায়তা, প্রবাসীদের আর্থিক সহায়তা, সরকার অনুমোদিত দাতা দেশ, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত অর্থ, সরকার অনুমোদিত দেশী ও বিদেশী উৎস হতে প্রাপ্ত অর্থ এবং সমাজের বিত্তবান, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের নিকট হতে প্রাপ্ত অনুদান।