২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

পাকিস্তানে সামরিক আদালত গঠনে জারদারির সমর্থন


পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলী জারদারি বুধবার বলেছেন, দেশে সামরিক আদালত গঠনসহ সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানাবে তাঁর দল। অন্যদিকে, নর্থ ওয়াজিরিস্তান এজেন্সির শাওয়াল এলাকায় একই দিন জঙ্গীদের আস্তানায় পাকিস্তানী জঙ্গী বিমানের হামলায় কমপক্ষে ২৩ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। খবর ডন অনলাইনের

ইসলামাবাদে জারদারির মুখপাত্র প্রকাশিত তাঁর এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারের সামরিক আদালত গঠনসহ সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিটি পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখব আমরা। সাবেক প্রেসিডেন্ট সামরিক আদালত গঠনে ২৭ ডিসেম্বর নওদেরোয় যে অবস্থান নিয়েছিলেন তা থেকে সরে এসেছেন। ওই দিন তিনি সতর্ক বাণী উচ্চারণ করে বলেছিলেন, সামরিক আদালত গঠনে নতুন আইনে এমন সম্ভাবনা কেউ উড়িয়ে দিতে পারে না যে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ দু’জনই কারাবন্দী হবেন। তিনি বলেছিলেন, তাঁর দল সামরিক আদালতের অপব্যবহার মেনে নেবে না। তার পরও তিনি তাঁর অবস্থান নমনীয় করেছেন এবং কোন রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী বা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নতুন আইনটি ব্যবহার করা হবে না, এমন নিশ্চিয়তা দাবি করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি সামরিক আদালত গঠনের জন্য কোন নির্দিষ্ট কার্যপ্রণালী গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এখন এমন একটা সময় যখন সরকার ও রাজনৈতিকদের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং এভাবেই আমরা পেশোয়ারে আর্মি পাবলিক স্কুলে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারগুলোর ক্ষত সারিয়ে তোলার চেষ্টা করতে পারি।

ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিমান হামলায় বুধবার জঙ্গীদের ৪টি আস্তানা ধ্বংস হয়েছে। এলাকায় প্রবেশে সাংবাদিকদের ওপর কড়াকড়ি আরোপ থাকায় এ তথ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যাচ্ছে না। সম্প্রতি, পেশোয়ারে শিশুদের স্কুলে তালেবান জঙ্গীদের হামলার পর তাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান যে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এ বিমান হামলা তারই অংশ। তালেবান জঙ্গীদের ওই হামলায় ১শ’ ৫০ শিক্ষার্থী নিহত হলে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ মৃত্যুদ-ের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ তুলে নেন এবং সন্ত্রাসসংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য তা পুনর্বহাল করেন। পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী জুনে আফগানিস্তানের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও অন্য জঙ্গীদের দীর্ঘদিনের ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।