১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে ভারত-বাংলাদেশ ঐকমত্য


স্টাফ রিপোর্টার ॥ সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে। এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে চোরাচালানের ক্ষেত্রেও জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। যৌথ দ্রুত টহল জোরদারসহ পারস্পরিক নানা বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত ২৫ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকার পিলখানায় বিজিবি-বিএসএফ ডিজি পর্যায়ে ৬ দিনের সীমান্ত সম্মেলন। সোমবার যৌথ দলিল স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে সম্মেলন শেষ হয়। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব ইতিবাচক সিদ্ধান্তে কথা জানানো হয়

এছাড়া সীমান্ত হত্যা, অপহরণ, আটক, অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম, অস্ত্রগোলাবারুদ ও মাদক পাচার, আন্তর্জাতিক সীমান্তের দেড় শ’ গজের মধ্যে উন্নয়নমূলক নির্মাণ কাজ ও দুই দেশের সীমান্তে নদী তীর সংরক্ষণ কাজসহ নানা বিষয় নিয়ে বিস্তর ইতিবাচক আলোচনা হয়। এসব সমস্যা সমাধানে দুই দেশই আন্তরিক। এসব বিষয়ে দ্রুত কাজ শুরুর আশা করছে দুই দেশই। এছাড়া সীমান্তে গুলিবর্ষণ, উত্তেজক ট্যাবলেটসহ ফেনসিডিল, গাঁজা ও হেরোইনের মতো মাদক চোরাচালান বন্ধের বিষয়টি বিশেষ আলোচনা হয়েছে।

সম্মেলনে বিজিবি ডিজি মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধিদলে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালকবৃন্দ, বিজিবি সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট স্টাফ অফিসাররা ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যৌথ নদী কমিশন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, সার্ভে অব বাংলাদেশ এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে সম্মেলনে বিএসএফ ডিজি দেবেন্দ্র কুমার পাঠক ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধিদলে বিএসএফ সদর দফতরের উর্ধতন কর্মকর্তা ছাড়াও ফ্রন্টিয়ার আইজি, ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিএসএফ প্রতিনিধিদলটির আজ ঢাকা ত্যাগ করার কথা।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: