২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ট্রাক টার্মিনাল না থাকায় চুয়াডাঙ্গায় বাড়ছে যানজট


নিজস্ব সংবাদদাতা, চুয়াডাঙ্গা, ২৯ ডিসেম্বর ॥ ট্রাক টার্মিনাল না থাকায় চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরে প্রধান সড়কের যেখানে সেখানে যত্রতত্র পার্কিং করে রাখা হচ্ছে ট্রাক। এতে একদিকে জনসাধারণের চলাচলে যেমন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে তেমনই বাড়ছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। তদারকি না থাকায় দিন দিন ট্রাক রাখার প্রবণতা বেড়েই চলেছে। রাস্তার ওপর ট্রাক রাখতে জনগণ বাধা দিলেও ট্রাকের মালিক ও চালকরা তোয়াক্কা করছে না।

১৯৭৩ সালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। বেশ কয়েক বছর পূর্বে পৌরসভাটি প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা লাভ করে। ৩৭.৩৯ বর্গ কিলোমিটার পৌর এলাকায় জনসংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ২৫০ জন। বাস ট্রার্মিনাল থাকলেও আজও তৈরি হয়নি ট্রাক টার্মিনাল। ফলে শহরের ৩ কিলোমিটার প্রধান সড়কের দুই ধারে রাখা হচ্ছে ট্রাক। এতে রাস্তা এতটাই সরু হয়ে যাচ্ছে অপর একটি গাড়ি যাওয়ার সুযোগ থাকছে না। যার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলের ব্যাঘাত ঘটছে। বাড়ছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। শহরের বাসটার্মিনাল, রেলবাজার, একাডেমির মোড়, বড়বাজার, কোর্ট মোড় ও দৌলতদিয়া এলাকায় এমনিতেই যানবাহনের চাপ একটু বেশি। আর এ সকল এলাকাতেই চালকরা রাস্তার ওপর ট্রাক রেখে ধোয়া মোছাসহ গাড়ি মেরামতের কাজ করে। সন্ধ্যার পর ট্রাক রাখার পার্কিং আরও দীর্ঘ হয়। তবে একাধিক চালক ও মালিকরা বলেছেন, ট্রাক টার্মিনাল না থাকায় জায়গার অভাবে আমরা রাস্তার ওপর রাখতে বাধ্য হচ্ছি। চুয়াডাঙ্গা জেলার ৪ উপজেলায় ট্রাকের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার। এর মধ্যে ১০ চাকা বিশিষ্ট ৫শ’ ট্রাক দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলাচল করে থাকে। এসকল ট্রাক ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে ফিরে এলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। তার ওপর দুই বছর পূর্বে প্রধান সড়কে ডিভাইডার দেয়ায় গাড়ি রাখলেই সড়ক আটকে যায়। এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়াদ্দার বলেন, ট্রাক টার্মিনালের জন্য চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কের পাশে এক একর জমি ক্রয় করা হয়েছে। মাটি ভরাটের কাজ কিছুটা হয়েছে। আশা করছি ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অর্থ বরাদ্দ পেলে ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

নওগাঁয় ইজারা ছাড়াই আত্রাই নদীর বালু বিক্রির মহোৎসব, লাখ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ, ২৯ ডিসেম্বর ॥ নওগাঁর মহাদেবপুর এবং মান্দায় কোন প্রকার ইজারা ছাড়াই আত্রাই নদী থেকে বালু বিক্রির উৎসবে মেতে উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্র। ওই চক্রটি প্রকাশ্য দিবালোকে অবৈধভাবে বালু বিক্রির মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব বালু উত্তোলন ও বিক্রির মহোৎসব শুরু হয়েছে। অবৈধভাবে এ নদী থেকে বালু তোলার ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ টাকার রাজস্ব ফাঁকিতে পড়লেও রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন রয়েছে নির্বিকার।

অভিযোগ রয়েছে, বালু উত্তোলনকারীরা সরকারের সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তা ব্যক্তিদের এবং সরকার দলীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করেই বে-আইনীভাবে বালু বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে বে-আইনীভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে এবং নদী তীরবর্তী এলাকার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সুদৃষ্টি কামনা করছে।