১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ভিসা জটিলতা নিরসন করে নাবিক প্রজন্মকে রক্ষার আহ্বান


স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভিসা জটিলতা নিরসন করে বাংলাদেশের ভবিষ্যত নাবিক প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন মেরিন ক্যাডেটরা। শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে এক্স-ক্যাডেটস অব বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির পক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

মেরিন ক্যাডারদের চাকরির প্রধান বাজারগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, হংকং, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো অন্যতম। একমাত্র ভিসা জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের এই দেশগুলোর খ্যাতনামা শিপিং কোম্পানিতে চাকরি নিতে পারছেন না বাংলাদেশী নাবিকরা। সংবাদ সম্মেলনে বহু সমস্যার ভিড়ে নাবিকদের প্রাণের দাবি ভিসা জটিলতা নিরসনের কথাই উঠে আসছিল বার বার। তাদের মতে, ভিসা সমস্যা কেটে গেলে চাকরির বাজার প্রশস্ত হবে। সমস্যা সমাধানে তারা প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের অর্জিত রেমিটেন্সে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা যোগ হচ্ছে মেরিনারদের মাধ্যমে। কিন্তু বর্তমানে পেশাগত জীবনে তারা বহু সমস্যার সম্মুখীন। চাকরির সঙ্কট অন্যতম। দেশে বর্তমানে একটি সরকারী ও ১৭টি প্রাইভেট মেরিন একাডেমি রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বের হওয়া শিক্ষার্থীরা ঠিকভাবে ইর্ন্টানশিপ করতে পারছেন না। এর মূল কারণ, দেশে মোট ৩৮টি জাহাজ রয়েছে, যেখানে মাত্র ১৬০ জন ইর্ন্টানশিপ করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। কিন্তু গত দুই ব্যাচে ৩৯৫ জন ক্যাডেট শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করলেও ইর্ন্টানশিপ করতে না পারায় পাস করতে পারছে না। কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করেই মেরিনদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ৫ম ব্যাচের সাবেক ছাত্র চীফ ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ ইবনে নূর বলেন, কিছু অসাধু এজেন্সি জাল সার্টিফিকেট তৈরি করে বিদেশে মেরিনদের নিয়োগ দিচ্ছে। অদক্ষ ও অনৈতিক পন্থায় বিদেশে গিয়ে তারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। জাল সনদে নিয়োগ রোধে আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টেই সব সনদ যাচাইয়ের জন্য আলাদা বুথ এবং মেশিন রিডেবল (সিডিসি) চালু করা হোক।