১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

সড়ক হয়েছে শো-রুম দোকান গুদামঘর


স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ দেশের অষ্টম ব্যবসাবাণিজ্য শহর নীলফামারীর সৈয়দপুরের সড়কগুলো যেন হয়েছে দোকানের শো-রুম আর দোকানগুলো হয়েছে গুদামঘর। শহরবাসীর এমন মন্তব্যে সত্যি সত্যি চোখে পড়ার মতো। সৈয়দপুর শহরের ব্যস্ততম প্রধান পাঁচটি সড়কের উপরই বসছে এখন দোকানপাট। এছাড়াও সড়কের জায়গায় নির্মাণ সামগ্রী রাখা হচ্ছে দিনের পর দিন। ফলে ব্যস্ত সড়কগুলো গলিপথে পরিণত হয়েছে। এতে ক্রেতা ও মানুষের চালাচলসহ যানজটে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। নীলফামারীর সৈয়দপুরে মূল ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে প্রধান পাঁচটি সড়ক ঘিরে। সড়কগুলো হচ্ছেÑ বঙ্গবন্ধু সড়ক, শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়ক, শহীদ ডা. সামসুল হক সড়ক, শহীদ ডা. জহুরুল হক সড়ক ও শহীদ তুলশিরাম সড়ক। এসব সড়কের উভয় পার্শ্বে রয়েছে কয়েক হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের রয়েছে নিজস্ব দোকান ও গুদামঘর। কিন্ত ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান এবং গুদামঘরে মালামাল না রেখে সড়কের উপর স্তূপ করে রাখছে। যত্রতত্র সড়কে দোকান বসিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন দোকানিরা। ফলে মূল সড়কগুলো যেন হয়ে পড়ছে গলিপথ। দিনের বেলা শহরে ভারি যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না। ফলে শহরে অসহনীয় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। তার উপর যানবাহনের ঝক্কি। এসব ঝক্কি-ঝামেলায় মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। ইতোপূর্বে এসব কারণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এক্ষেত্রে পৌরবিধি ও ট্রাফিক আইনও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সৈয়দপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র জিয়াউল হক জিয়া জানান, সড়কে দোকান বসার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে শহরে মাইকিং ও ব্যবসায়ীদের চিঠি দেয়া হয়েছে।

অপহরণের ৩৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি স্কুলছাত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা, সিদ্ধিরগঞ্জ, ২০ ডিসেম্বর ॥ সোনারগাঁয়ের সোনাপুর থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী লাবণী আক্তারকে (১০) পুলিশ গত ৩৪ দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি। স্কুলছাত্রী উদ্ধার না হওয়ায় তার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার বাসিন্দা জমির হোসেনের কন্যা ও কাঁচপুর ওমর আলী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী লাবণী আক্তার গত ১৫ নবেম্বর জামা-কাপড় বানানোর উদ্দেশ্যে টেইলার দোকানে গিয়ে আর বাসায় ফিরে আসেনি। পরিবারের অভিযোগ, লাবণী আক্তারকে অপহরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপহৃতের পিতা জমির হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এদিকে লাবণীর পিতা জমির হোসেন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী মিনারা বেগমের মোবাইল ফোনে অপহরণকারীরা ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে।