২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কিউবায় প্রভাব কমছে ফিদেল ক্যাস্ট্রোর!


ইউনিভার্সিটি অব হাভানা ল স্কুলের ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার কিউবা বিপ্লবের ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত ট্যাঙ্কের পাশে দাঁড়িয়ে জনপ্রিয় সঙ্গীত গাইছিল একদল ছাত্রছাত্রী। এই ইউনিভার্সিটি মাঠ থেকেই এক সময় শুরু হয়েছিল বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সংগ্রামী জীবন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্প্রতি কিউবার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের যে উদ্যোগ নিয়েছেন সে বিষয়ে ওই ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে জড়ো হওয়া ক’জন ছাত্রছাত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তারা যেভাবে নিজেদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সেটি হলো এটি প্রথমত কিউবান জনগণের ব্যাপার।

দ্বিতীয়ত এটি ওবামার বিষয়। সবশেষে রাখা যেতে পারে প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ট্রোকে। কিন্তু তারা তাদের বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো সম্পর্কে কোন মন্তব্যই করেনি। নিউইয়র্কের প্রতিবেদকের সঙ্গে তাদের অনেক বিষয় নিয়েই কথা হয়... যেখানে বার্লিন প্রাচীর পতন থেকে সমসাময়িক অনেক প্রসঙ্গই উঠে আসে কিন্তু তারা একবারের জন্যও ফিদেলের নাম উচ্চারণ করেনি। যেই ফিদেলের নাম এক সময়ে কিউবা দেশটির নামের সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল তিনি বেঁচে থাকতেই তার দেশের নবীন প্রজন্মের কাছে তিনি যেন বিস্মৃত একটি নাম। আট বছর আগে ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর কিউবার জনগণ যেন তাকে ভুলেই যেতে বসেছে। কিউবার অনেকই মনে করে ফিদেল এখন অতীতের বিষয়। তাদের প্রাত্যহিক জীবনে তিনি এখন কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় নন।

২৬ বছর বয়সী তথ্য প্রযুক্তির ছাত্র জর্জ লুই রিভেরো বলেন, ‘এখন আমরা যেটা চাচ্ছি তা হলো নতুন একটি পথ। আমরা জানি না ভবিষ্যতে কি আছে। তবে আমরা একটি ভাল ভবিষ্যত আশা করি।’ ফিদেল সরকারের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তাও মনে করেন ওবামা যে এখন কিউবার দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এটি প্রকারান্তরে ফিদেলেরই জয়। ওবামা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৫৩ বছর ধরে কিউবাকে একঘরে করে রাখার নীতি থেকে সরে এসে প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলবেন।

-ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস