১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

কুয়াকাটাগামী সড়কের দুই পাশ দখল করে স্থাপনা


নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ১৯ ডিসেম্বর ॥ পাখিমারা বাজারসংলগ্ন কুয়াকাটাগামী মহাসড়কসহ সেখানকার একটি সংযোগ সড়কের ফুটপাথ দখলের মহোৎসব চলছে। এমনকি রাস্তার পাশে লাগানো বড় বড় নারিকেল গাছ পর্যন্ত স্থাপনার বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। এ সব স্থাপনা আবার মোটা অংকের টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাখিমারা পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এলাকা থেকে দুই দিকে এবং পাখিমারা বাজার থেকে পশ্চিমদিকের সংযোগ সড়কটির দুই দিকেও বহু স্থাপনা তোলা হয়েছে। এখনও বেড়া চাল দেয়ার কাজ চলছে। জানা গেছে, একেকটি স্থাপনা তুলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতার হস্তক্ষেপে তার সহযোগীরা মোটা টাকার বিনিময়ে ব্যবসায়ীদের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছে। এমনকি সংযোগ সড়কটির দুইদিকে লাগানো ফলন্ত নারিকেল গাছ বেড়া দিয়ে আটকে দেয়া হয়েছে। এখন সড়কটির পাশ দিয়ে পথচারীসহ স্কুলগামী শিশুদের চলাচলের পথ নেই। যানবাহন চলাচলকালে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ভয়াবহ শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অন্তত ৩০টি স্থাপনা ইতোমধ্যে তোলা হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এ ব্যাপারে সরাসরি মুখ খুলছেন না। তবে একাধিক নেতা জানিয়েছেন, তাঁরা ছাত্রলীগের অপকর্ম আর দখল সন্ত্রাস দমাতে পারছেন না। নিয়ন্ত্রণ নেই কারও। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় তাঁরা এদের কাছে অসহায় হয়ে আছেন। আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন পর্যায়ের সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক কেউ এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে রাজি হননি। উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো আব্দুল জলিল জানান, তিনি বিষয়টি জানেন না। তবে তহশীলদার পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান। ইউএনও মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান মিঠু জানান, স্থাপনা তোলার সঙ্গে তাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। পাখিমারা বাজারে রাতের পাহারার জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা ৮০ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাদের নামে এ প্রচার চালানো হয়েছে। যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন জানান, স্থানীয় গরিব লোকজন অস্থায়ীভাবে পান-চায়ের দোকানের জন্য কিছু আলগা ঘর তুলেছে। এর সঙ্গে তারা জড়িত নন। তবে বাজারের বড় ধরনের পাকা-আধাপাকা সকল অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদের পাল্টা দাবি তার।