২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কেয়া কসমেটিকসের রেকর্ড ডেট রবিবার


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আগামী রবিবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ এবং রসায়ন খাতের কোম্পানি কেয়া কসমেটিকসের শেয়ারধারী মালিকানা নির্ধারণ ও একীভূতকরণ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে লেনদেন বন্ধ থাকবে। ওই দিনে কোম্পানির শেয়ার যার পত্রকোষ বা পোর্ট ফলিওতে থাকবে তিনিই কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ঘোষিত ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পাবেন।

এদিকে রেকর্ড ডেটের আগের দিন বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে এ শেয়ারের দর বেড়েছে ২ দশমিক ২২ শতাংশ বা ৬০ পয়সা। দিনভর দর ২৭ টাকা থেকে ২৮ টাকায় মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৭ টাকা ৬০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে ছিল ২৭ দশমিক ৮০ টাকা। এদিন ১১৯৯ বারে এর মোট ২১ লাখ ১৮ হাজার ৭০৭ টি শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ২৬ টাকা ৮০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৯ টাকা ৫০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ২১ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩১ টাকা ৫০ পয়সা।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কেয়া কসমেটিকসের মুনাফা বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৫৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৫৩ পয়সা।

এদিকে একই গ্রুপের তিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কেয়া কসমেটিকসের একীভূতকরণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সম্প্রতি বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের একক বেঞ্চ এসব কোম্পানির একীভূতকরণ-সংক্রান্ত আবেদন মঞ্জুর করে রায় ঘোষণা করেন।

একীভূতকরণ প্রস্তাব অনুযায়ী, রসায়ন খাতের কেয়া কসমেটিকসের সঙ্গে বস্ত্র খাতের যে তিনটি প্রতিষ্ঠান একীভূত হবে সেগুলো হলো: কেয়া নিটিং মিলস, কেয়া কটন মিলস ও কেয়া স্পিনিং মিলস লিমিটেড। একীভূত হওয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর দায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী স্থানান্তর হবে। আর কোম্পানিগুলো একত্র হবে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নিয়ম অনুযায়ী। একীভূতকরণ প্রস্তাব বিষয়ে আদালত সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ বিষয়ে বিস্তরিত উল্লেখ থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। কোম্পানিগুলো একীভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর দায় বর্তাবে কেয়া কসমেটিকসের ওপর। একীভূত হলেও এসব দায় নিরাপদ বলে বিভিন্ন ব্যাংকের দেয়া অনাপত্তিপত্র (এনওসি) আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে একীভূত হওয়ার পর প্রায় ৫৭০ কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে পূবালী ব্যাংকের কাছে কেয়া কসমেটিকসের ৪৩ শতাংশের বেশি শেয়ার লিয়েন রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী এমএ হান্নান।