২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

১১১ ছিটমহলে অস্থায়ী বিজয় স্তম্ভ তৈরি করে বিজয় দিবস পালন


নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট, ১৭ ডিসেম্বর ॥ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলে অস্থায়ীভাবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে ছিটমহলের শিশু, কিশোর, কিশোরীসহ সব বয়সের মানুষ শ্রদ্ধাভরে ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে শহীদের স্মরণ করলেন। তার এবার অন্য ধরনের এক বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। ৬৭ বছরের বঞ্চনার পরিসমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। তারাও যে মনেপ্রাণে বাঙালী ও বাংলাদেশের প্রতি রয়েছে অকৃত্রিম আনুগত্য তার প্রমাণ দিতে ৬৭ বছর পর হলেও ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিনে মুক্তির আনন্দ সকলে মিলে পালন করেছে। ছিটমহলবাসী আশায় বুক বেঁধে আছে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বাংলাদেশের নাগরিকত্বর স্বীকৃতি নিয়েই ঘটনা করে পালন করবে। এরই মধ্যে প্রতিটি ছিটমহলে গড়ে তুলবে শহীদ মিনার। এবারে যেমন অস্থায়ীভাবে বিজয়স্তম্ভ নির্মাণ করে ফুল ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তুলে বিজয় দিবস পালন হয়েছে। ছিটমহলের ঘরে ঘরে বইছে বিজয়ে আনন্দ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতে ১১১টি ও ভারতের অভ্যন্তরে লালমনিরহাটসহ ৫১টি ছিটমহল রয়েছে। ছিটমহলবাসীকে কোন দেশ ৬৭ বছর ধরে স্বীকৃতি দেয়নি। যেহেতু দুই দেশের ছিটমহলগুলো ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে দুই দেশের ভেতরে রয়েছে। এই ছিটমহলের মানুষ ভারত ও বাংলাদেশর মানুষের দয়া, অনুগ্রহ ও দাসত্ব করে বেঁচে আছে।

রাজশাহীর ৮৬ প্রতিষ্ঠানে একযোগে সোলার প্যানেল উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ নগরীতে বিদ্যুতের ওপর চাপ কমিয়ে সোলারের আলোয় আলোকিত করতে ৮৬ প্রতিষ্ঠানে বসানো হয়েছে সোলার প্যানেল। এতে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ৩৬ লাখ টাকা। সরকারের ২০১৪-১৫ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। রাজশাহী কলেজে বসে বুধবার দুপুরে একযোগে সোলার প্যানেল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। রাজশাহী কলেজ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ অধ্যাপক হবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি পূর্ব) এ কে এম নাহিদুজ্জামান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের রাজশাহী বিভাগীয় উপ-পরিচালক ড. শরমিন ফেরদৌস চৌধুরী। উদ্বোবধনকালে সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে অনেক সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ কাজ বন্ধ থাকে। ফলে তাদের সমস্যায় পড়তে হয়। বিদ্যুত না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রাতে গোরস্তানে লাশ দাফন করা যায় না। মরদেহের সৎকার করা যায় না শ্মশানে। এ ভাবনা থেকেই সরকার গ্রামীণ অবকাঠামোর আওতায় সোলার প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রসঙ্গত, মহানগরীর ৪২টি স্কুল-কলেজ, ৩টি নৈশ বিদ্যালয়, ৮টি পাঠাগার, মহানগরীর ৪টি থানা, ৬টি গোরস্তান, একটি শ্মশান, ২৩টি মসজিদে বসানো হয়েছে এই সোলার প্যানেল।