২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

তিন চার মাসের মধ্যে ডিসিসি নির্বাচন ॥ ও. কাদের


স্টাফ রিপোর্টার ॥ গণতন্ত্র নয়, বিএনপির আন্দোলনের কফিন কবরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আগামী তিন চার মাসের মধ্যে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন দেয়ার কথাও জানান তিনি।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা।

গেল সপ্তাহে মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে শীত মৌসুমে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। আগামী জানুয়ারি অথবা ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে মত দেন বেশিরভাগ মন্ত্রী। এ সিদ্ধান্তের পরদিনই সংবাদ সম্মেলন করে অল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের অপরাগতা প্রকাশ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব নয়, দল হিসেবে বিএনপি আজ চরম সংকটে। তাদের নেতারাই নেই। তাহলে কর্মী আসবে কোথা থেকে? প্রশ্ন রাখেন তিনি। বিএনপির আন্দোলনের হুমকির কথা উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলন করে সরকার হঠানোর মুরোদ নেই। গত ছয় বছর ধরে আন্দোলন দেখে আসছি। এই বছর না ওই বছর। আন্দোলন কোন বছর সেটাই জনগণের প্রশ্ন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর এই সদস্য হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে বলেন, আন্দোলনের নামে সহিংসতা করা হলে জনগণের জানমাল রক্ষার্থে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী তিন চার মাসের মধ্যে ডিসিসি নির্বাচন দেয়া হবে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে ভয় পায় না। নির্বাচনবিরোধী দলের আন্দোলনও বাধাগ্রস্ত হবে না।

ছাত্রলীগকে উদ্দেশে করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ৫ জানুয়ারি ও ৫ মে ছাত্রলীগ শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারেনি। ছাত্রলীগকে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, তাহলে আমরা কতটুকু শক্তিশালী? কতটা সবল? পরাজিত শক্তির সঙ্গে আমরা বিজয়ীরা কোথাও কোথাও কেন এত দুর্বল?’ তিনি বলেন, এ দুর্বলতা নিয়ে ভাবতে হবে। দুর্বলতা থেকে শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। সঙ্কট থেকে সঙ্কট উত্তোরণের পথ বের করতে হবে।

ছাত্রলীগকে উদ্দেশে করে তিনি বলেন, ক্ষমতার দাপট খাঁটিয়ে হল দখল করা কখনও ভাল দৃষ্টান্ত নয়। ক্ষমতায় কেউ চিরদিন থাকে না। ক্ষমতাচ্যুত হলে ঠিকই হল ছেড়ে পালাতে হবে। তখন বিরোধীরাই আবার হলে অবস্থান নেবে।

ছাত্রদল সম্পর্কে তিনি বলেন, ছাত্রদলে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে না। তাই নতুন নেতৃত্ব বের হচ্ছে না। ছাত্রলীগের মাঝেও যেন এ সমস্যা না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।

ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফের সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ নুজহাত চৌধুরী, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ প্রমুখ।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: