২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

যশোরে সাখাওয়াতসহ ১৫ রাজাকারের মামলার তৃতীয় দফা তদন্ত শুরু


স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোরের কেশবপুর উপজেলার রাজাকার কমান্ডার আমিন উদ্দিন ও কারাগারে আটক জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি মাওলানা সাখাওয়াত হোসেনসহ ১৫ রাজাকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলার তৃতীয় দফা তদন্ত শুরু হয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার সকালে ও বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান এ তদন্ত করতে কেশবপুরের বিভিন্ন স্থানে যান। তিনি কেশবপুর থানায় মামলার বাদী ও সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণ এবং রাজাকারদের যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের ঘটনাস্থল চিংড়া, বগা, ভা-ারখোলা ও গৌরীঘোনা পরিদর্শন করেন। কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল জলিল জানান, দুপুরে তদন্ত কর্মকর্তা ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোতালেব দফাদার হত্যা মামলার বাদী আওয়ামী লীগ নেতা মশিয়ার রহমান দফাদারের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। তিনি স্থানীয়দের কাছে ঘটনার সবিস্তার জানেন। এ সময় মামলার বাদী মশিয়ার রহমান দফাদার তদন্ত কর্মকর্তার সামনে সপরিবারে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান। ১৯৭১ সালের ৮ ও ৯ আগস্ট গৌরীঘোনার ইসমাইল হোসেন, বগার বশির গোলদার, চিংড়ার চাঁনতুল্যা, সতীশ সরকার, কার্তিক কর্মকারসহ স্বাধীনতাকামী মানুষদের হত্যা ও বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনায় কেশবপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে ২০১০ সালের ১১ মে মামলাটি করেন। আসামিরা হলেন-কেশবপুরের শ্রীরামপুর গ্রামের আমিনুদ্দিন, হিজলডাঙ্গা গ্রামের মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন ও আব্দুল বারী মোড়ল, আলতাপোল গ্রামের আব্দুল খালেক, ভরতভায়না গ্রামের হাসেম আলী, আনছার মোল্যা, মোকছেদ সরদার, কেসমত আলী ও আনছার ফকির, আগরহাটি গ্রামের আব্দুল বারী ওদুদী, ভা-ারখোলা গ্রামের হোসেন আলী, বেলকাটি গ্রামের আকবর আলী, মোমিনপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ মোড়ল, সাতবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল গণি শেখ এবং নেহালপুর গ্রামের ইব্রাহিম কারিগর।

কক্সবাজারে শিশু শিক্ষার্থীদের তুলির আঁচড় নজর কাড়ছে

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ চকরিয়ায় একঝাঁক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীর তুলির আঁচড়ে রঙিন হয়ে উঠছে শিশুবান্ধব স্কুল বর্ণমালা একাডেমির ক্যাম্পাস। শিশুদের মাঝে সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি নতুন নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল ক্যাম্পাসে শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এ অঙ্কন প্রতিযোগিতা। প্রতিষ্ঠানটি যাত্রার শুরু থেকে এ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন সংস্কৃতিকে লালন করে যাচ্ছে। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্লে থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে প্রায় তিনশ’ শিক্ষার্থী পড়া-লেখা, শিক্ষকম-লী ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের প্রচেষ্টায় বর্ণমালা একাডেমি এখন শ্রেণীপেশার মানুষের নজর কাড়ছে।