২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

তামাকের বিকল্প ফসল চাষে রাষ্ট্রীয় সহায়তা দাবি


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তামাকের বিকল্প ফসল চাষে কৃষকদের রাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রদান, তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এ্যালায়েন্স (আত্মা)। এ দাবিতে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ভুক্তভোগী কৃষকের কণ্ঠস্বর : তামাক চাষ লাভজনক নয়, ক্ষতিকর লাভের প্রলোভন’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদান করেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এর প্রফেসরিয়াল ফেলো ড. এম আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আত্মা’র সহ-আহ্বায়ক নাদিরা কিরণ। সঞ্চালনা ও সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন আত্মার আহ্বায়ক রুহুল আমিন রুশদ।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের তামাক চাষপ্রবণ এলাকা থেকে আগত বিক্ষুব্ধ কৃষক সমাজের প্রতিনিধি আব্দুল বারী (কুষ্টিয়া), আব্দুস সালাম (বান্দরবান) ও আলম বাদশা (লালমনিরহাট) বক্তব্য রাখেন। তাঁরা বলেন, তামাক কোম্পানির প্রলোভনে পড়ে এক সময় তামাক চাষ শুরু করলেও তামাকের নানাবিধ ক্ষতি বুঝতে পেরে এখন তাঁরা অন্য ফসল আবাদ করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশে তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন নীতিমালা নেই। ফলে বিগত কয়েক দশকে অরক্ষিত কৃষকদের ব্যবহার করে তামাক কোম্পানিগুলো আগ্রাসীভাবে তামাক চাষ বাড়িয়ে চলেছে। সাময়িক মুনাফার প্রলোভনে পড়ে কৃষক ক্রমশ আগ্রহী হয়ে উঠছেন তামাক চাষে। খাদ্য ও অর্থকরী ফসলের জমি চলে যাচ্ছে তামাকের দখলে। সরকারের দেয়া কোটি কোটি টাকার ভর্তুকিকৃত সার ও সেচ সুবিধা ব্যবহার করে বছরের পর বছর মুনাফা লুটে নিচ্ছে তামাক কোম্পানিগুলো। অন্যদিকে তামাক কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী তৎপরতা বন্ধ ও তামাকের বিকল্প ফসল চাষে সরকারী সহায়তা লাভের দাবিতে মাঠে নেমেছে বিক্ষুব্ধ কৃষক সমাজ। চলতি মৌসুমের শুরুতেই তামাক কোম্পানির সবচেয়ে আগ্রাসনকবলিত এলাকা হিসেবে পরিচিত কুষ্টিয়া, বান্দরবান ও লালমনিরহাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তামাকের বিকল্প ফসল চাষের পক্ষে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে বিক্ষুব্ধ কৃষক সমাজ। এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স-‘আত্মা’ মনে করে, বিক্ষুব্ধ এসব কৃষকের কথা জাতীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণী মহলসহ সবার মাঝে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরী।