১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর কোবানী


কোবানী সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চল আলেপ্পোর একটি শহর। তুরস্কের সীমান্তবর্তী এ শহর সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের মাঝামাঝিতে কুর্দি ওয়াইপিজি (ণচএ) যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের পূর্বে এ শহরে অধিবাসীর সংখ্যা ছিল পঞ্চাশ হাজার। মূলত কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চল হলেও সংখ্যালঘু আর্মেনিয়ান, আরব এবং তুর্কীদের উপস্থিতি রয়েছে শহরটিতে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে আইএস জঙ্গীদের হামলার পর বিশ্ব মিডিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় কোবানী। আইএস জঙ্গীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে এই শহরের সরকারী স্থাপনাসহ গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল দখলে নেয়। কোবানীতে গত তিন মাস ধরে বিক্ষিপ্তভাবে সংঘর্ষ চলে আসছে আইএস এবং কুর্দিদের মাঝে। কুর্দি নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয় আইএস জঙ্গীদের অগ্রযাত্রা। যুদ্ধে কুর্দি ওয়াইপিজি (ণচএ) সঙ্গে যোগ দেয় ইরাকের কুর্দিবাহিনী পেশমারগা। এছাড়া মার্কিন বিমানবহর থেকেও ৩১০ বার হামলা করা হয় আইএস জঙ্গীদের ওপর। নানামুখী হামলায় বিপর্যস্ত আইএস ধীরে ধীরে কোবানী শহর ছেড়ে পিছু হটে। কিন্তু রেখে যায় নানা ক্ষত চিহ্ন। কোবানী শহরের সবখানেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আসে যুদ্ধের ভয়াবহতা। মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আইএস জঙ্গীদের দেহাবশেষ পড়ে আসে বিধ্বস্ত নানা সরকারী ভবনে।

সরকারী-বেসরকারী নানা ভবনেই গুলি-বারুদের দাগ। রাইফেল কাঁধে তরুণ-তরুণীরা পজিশন নিয়ে আছে নানা কৌশলগত অবস্থানে। কুর্দিদের এমন সাহসি প্রতিরোধের মুখে আইএস এখন সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলের দিকে হামলা করতে বেশি আগ্রহী। কোবানী শহরের ক্ষত ভুলতে সম্প্রতি সংগঠনটি সিরিয়ার একটি বিমান ঘাঁটি দখল করে।