২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

১৬ মাসেও চালু হয়নি ঈশ্বরদী রেল শপিং সেন্টার


তৌহিদ আক্তার পান্না, ঈশ্বরদী ॥ অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনের ১৬ মাস পার হলেও রেলওয়ে শপিং সেন্টারটি আলোর মুখ দেখেনি। কোন দোকান চালু করা সম্ভব হয়নি। পরিবেশ ও অযৌক্তিকভাবে কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশে গড়ে ওঠা মার্কেটটিতে দিনে-রাতে মাদকসেবী ও শিয়াল-কুকুরের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। ২০১৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরদী রেলগেট থেকে বিমানবন্দর রোড সংলগ্ন সুইপার কলোনি ও কড়ইতলার মাঝে মার্কেটটি উদ্বোধন করা হয়।

জানা যায়, ২০০০ সালে রেলওয়ে শপিং সেন্টারটি স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে খোলা দরপত্রের মাধ্যমে ৩শ’ ৭টি প্লট বরাদ্দ দেয়। পরবর্তীতে লাইসেন্স না থাকায় ও বিভিন্ন কারণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ১০ জনের বরাদ্দ বাতিল করে শেষ পর্যন্ত সর্বমোট ২শ’ ৯৭টি প্লট বরাদ্দ দেয়। এরপর নানা সমস্যা ও দখলদারদের হাত থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি উদ্ধার করতে না পারায় দীর্ঘ নয় বছর অনেকটা অন্ধকারে থেকে যায় রেলওয়ে শপিং সেন্টারের নির্মাণ কাজ। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের ২১ জুলাই মামলা- মোকদ্দমা শেষ করে রেলওয়ে শপিং সেন্টার নির্মাণ কমিটি গঠন করে কার্যক্রম শুরু করার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়। সে সময় ২শ’ ৯৭ জন প্লট মালিকের থেকে মাটি ভরাটের জন্য ৮ হাজার টাকা, মার্কেটের ধারী পর্যন্ত নির্মাণ করার জন্য ১৭ হাজার টাকা ও লেন্টার পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য ৩০ হাজার টাকা প্লট মালিকদের থেকে নেয়া হয়। এভাবে প্রতিটি ধাপে পযার্য়ক্রমে ৫৫ হাজার টাকা করে নেয়া হয়। প্রতিটি প্লট মালিক তাদের নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করার পরও রেলওয়ে শপিং সেন্টার নির্মাণকারী সংগঠন দোকান নির্মাণ কাজের ব্যাপারে আগ্রহী হলেও দোকান চালু করণের ব্যাপারে আগ্রহী না থাকায় উদ্বোধনের এক বছর পরও দোকানগুলো পড়ে আছে। এ অবস্থায় দিনে- রাতে শফিং সেন্টার এলাকা মাদকসেবী ও শিয়াল -কুকুরের আড্ডায় পরিণত হয়েছে। এই বিষয়ে রেলওয়ে শপিং সেন্টার নির্মাণকারী সমিতির সভাপতি রুহুল আমীন বাবলু জানান, রেলওয়ে শপিং সেন্টার উদ্বোধন করা হলেও দোকান মালিকদের নানা সীমাবদ্ধতার কারণে পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে, কাঁচাবাজার ও হকার্স মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নাটোরে ফুনু হত্যা মামলার ৬ আসামি জেলগেট থেকে ফের গ্রেফতার

সংবাদদাতা, নাটোর, ৮ ডিসেম্বর ॥ নাটোরের সিংড়ার আলোচিত কলম ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফজলার রহমান ফুনু হত্যা মামলার জামিনপ্রাপ্ত ৬ আসামিকে জেলগেট থেকে পুনরায় আরেক মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যার পর তাদের গ্রেফতার করা হয়। নাটোরের পুলিশ সুপার বাসুদেব বনিক, সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ও আটকৃতদের স্বজনরা জানান, চলতি বছরের ১৮জানুয়ারি সিংড়া উপজেলার কলম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফজলার রহমান ফুনু হত্যা মামলার ৬ আসামি ১০/১২দিন আগে হাইকোর্ট থেকে জামিন পায়।