২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যশোরে নিষিদ্ধ আমদানি ওষুধের বেচাকেনা বন্ধ হয়নি


স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোরে জীবনঘাতি ওষুধের অবাধ বেচাকেনা কোনভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। উৎপাদন ও বাজারজাতকারী কোম্পানি, চিকিৎসক, ফার্মেসি মালিক এবং ওষুধ প্রশাসনের সহযোগিতায় ওষুধ নামের বিষ সেবন করতে বাধ্য হচ্ছে রোগীরা। বৈধতার সার্টিফিকেট এতটাই শক্তিশালী যে, আমদানিনিষিদ্ধ ওষুধ প্রেসক্রিপশনেও লিখছেন চিকিৎসকরা। প্রকাশ্যে তা বিক্রিও হচ্ছে ফার্মেসিগুলোতে। ওই ওষুধ ক্রয় করে রোগীকে সেবন করাচ্ছে স্বজনরা। ওষুধটি বাংলাদেশে পশুর জন্য অনুমোদিত হলেও একই নামের ওষুধ মানুষকে সেবন করতে বাধ্য করাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানুষের ক্ষুধামন্দা দূরীকরণ ও রোগা-চিকন শরীর মোটাতাজাকরণের জন্য বাংলাদেশের বাজারে ‘সিপ্রোহপটাডিন’ গ্রুপের ওষুধের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ‘সিপ্রোহপটাডিন’ গ্রুপের এরিক্টিন নামে এ্যারিস্ট্রো ফার্মা, প্রোএ্যাক্টিন নামে এসকেএফ ও রিএ্যাক্টিন নামে ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ট্যাবলেট এবং সিরাপ উৎপাদন ও বাজারজাত করত। ওষুধটি শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা হরহামেশা ব্যবস্থাপত্রে লিখতেন। কোন অভিভাবক তার শিশুকে চিকিৎসকের চেম্বারে নিয়ে ক্ষুধামন্দার কথা উল্লেখ করতেই সিপ্রোহপটাডিন গ্রুপের ওষুধ লিখে দিতেন ব্যবস্থাপত্রে।

বিশ্বের নামীদামী বিশেষজ্ঞগণ দীর্ঘ গবেষণা করে উল্লেখ করেন সিপ্রোহপটাডিন গ্রুপের ওষুধ মানুষের জন্য মঙ্গলজনক নয়। গবেষণা প্রতিবেদন বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন বিভাগ আমলে নিয়ে সিপ্রোহপটাডিন গ্রুপের ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। যশোরের ড্রাগ সুপার শফিকুল ইসলাম এ বিষয়টি স্বীকার করেছেন। কিন্তু অবাক করা বিষয়, যশোরের কয়েক শিশু বিশেষজ্ঞ তথা সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসকরা ক্ষতিকর নিষিদ্ধ সিপ্রোহপটাডিন গ্রুপের ওষুধ কোন ধরণের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই ব্যবস্থাপত্রে লিখছেন।