২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই-ঝুনা চৌধুরী


জনকণ্ঠ : আপনার অভিনীত দুটি ছায়াছবি সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে, এতে কেমন প্রত্যাশা করছেন?

ঝুনা চৌধুরী : ইতিমধ্যে অনেক প্রশংসা পেয়েছি। আশা করি যাঁরা দেখেছেন তাঁদের সবার ভাল লেগেছে আর যাঁরা এখনও দেখেননি তাঁদের দেখার জন্য অনুরোধ করব। তাছাড়া ‘বৃহন্নলা’ ও ‘ডাকঘর’ দুটি ছবিতেই অভিনয় করে অনেক মজা পেয়েছি।

জনকণ্ঠ : শীঘ্রই কোন নতুন নাটক মঞ্চে আনছেন কি?

ঝুনা চৌধুরী : আমার দল নাট্যকেন্দ্র থেকে নতুন নাটক মঞ্চে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে বেশি ব্যস্ত আছি ‘গ্রুপ থিয়েটার দিবস’ উপলক্ষে আমাদের প্রাণের সংগঠন ‘বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান’ কর্তৃক আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়ে। কেননা গ্রুপ থিয়েটার চর্চার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশে একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমরা একটি মৌলবাদ, জঙ্গীবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই।

জনকণ্ঠ : বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বা স্বাধীনতা বিরোধীদের উৎখাতে ‘বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান’র কোন ভূমিকা আছে কি?

ঝুনা চৌধুরী : অবশ্যই। ১৯৭২ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত আমরা নাটকের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করে আসছি। এ জন্য আমরা বিভিন্ন দল থেকে অনেক নাটক মঞ্চায়ন করেছি, করছি। তাঁর মধ্যে কয়েকটি নাটক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্যÑ ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘মুখোশ’, ‘যুদ্ধ এবং যুদ্ধ’, ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’, ‘রাইফেল’, ‘জয়জয়ন্তি’, ‘ইনফর্মার’ ইত্যাদি।

জনকণ্ঠ : নাট্যাঙ্গনে আপনাদের ‘বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান’র নতুন কোন ভাবনা।

ঝুনা চৌধুরী : সারা দেশব্যাপী গ্রুপ থিয়েটার চর্চাকে ছড়িয়ে দেয়া, পাশাপাশি শিক্ষিত নাট্যকর্মী নির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়েও নাট্যকলা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিভিন্ন সময় ‘বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান’র পক্ষ থেকে আমরা দাবি উত্থাপন করছি।

জনকণ্ঠ : একই সঙ্গে টিভি ও মঞ্চনাটকে অভিনয় করতে গিয়ে সময় ব্যবস্থাপনায় কোন সমস্যায় পড়েন কি?

ঝুনা চৌধুরী : তাতো পড়তেই হয়। ইচ্ছে থাকলে অবশ্য উপায়ও মিলে যায়। অনেককেই বলতে শুনি সময়ের অভাবে মঞ্চে কাজ করতে পারেন না। আমি কিন্তু এ ব্যাপারে একমত নই। মঞ্চ নাটকের প্রতি আগ্রহ ভালবাসা যদি থাকে তাহলে অবশ্যই সম্ভব। প্রকৃত সত্য হচ্ছে অনেকেই টাকাকেই বড় করে দেখেন তো এই আর কি!

জনকণ্ঠ : বাংলাদেশে পেশাদারী নাট্যচর্চার সম্ভবনা আছে কি?

ঝুনা চৌধুরী : নিশ্চয়ই আছে। তবে বিষয়টি সময় সাপেক্ষ। আমরা চেষ্টা করছি যাতে বাংলাদেশে পেশাদারী নাট্যচর্চার দ্বার উন্মোচন করতে পারি। কিন্তু এটা স্বীকার করতেই হবে যে, বলা যত সহজ পথটা আসলে তত সহজ নয়।