১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অবাধ নির্বাচন দাবিতে হংকংয়ে আন্দোলন চলবে


হংকংয়ের ছাত্ররা নির্বাচনী সংস্কারের দাবিতে বুধবার এশিয়ার আর্থিক কেন্দ্রস্থল এ শহরের প্রধান প্রধান অংশে প্রতিবাদস্থলগুলোতে অবস্থান করে যাওয়ার সঙ্কল্প ব্যক্ত করেছে। এভাবে তারা আইন অমান্য আন্দোলন অকুপাই সেন্ট্রালের নেতাদের পিছু হটে আসার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করল। খবর এএফপি ও ইয়াহুনিউজের।

শতশত ছাত্র মূল বাণিজ্যিক এলাকার পাশে এ্যাডমিরাস্টিস্থ প্রধান প্রতবাদস্থলে অবস্থান করছে। তারা ২০১৭ সালে চীনা নিয়ন্ত্রিত শহরটির পরবর্তী নেতা বাছাইয়ের জন্য অবাধ নির্ধাচনের দাবি আদায় করতে তাদের লড়াই চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বেজিং জোর দিয়েছে বলেছে, শহরের নেতা নির্বাচিত হতে চান এমন প্রার্থীকে প্রথমে পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং তাদের নাম আগেভাগেই অনুমোদিত হয়ে থাকতে হবে। অকুপাই সেন্ট্রালের প্রতিষ্ঠাতারা মঙ্গলবার সহিংসতার আশঙ্কায় বাড়ি চলে যেতে প্রতিবাদীদের প্রতি আহ্বান জানান। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ছাত্রনেতা জোশুয়া ওং পুনরায় সংগঠিত হতে সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান। ১৮ বছরের ছাত্র লোরেইন লাম বলেন, আমি মনে করি ঐ ঘোষণার কোন অর্থই হয় না। কারণ আমরা অনেক কিছু করেছি এবং এখন সব কিছু গুটিয়ে আমাদের চলে যাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি না। প্রতিবাদীরা সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ হংকংয়ে পূর্ব গণতন্ত্র কায়েমের দাবিতে একমত। কিন্তু বিক্ষোভ শুরু করার দু’মাস পর তাদের মধ্যে আন্দোলনের কৌশল, মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। বেজিং ও হংকং সরকার ঐ বিক্ষোভ প্রদর্শনকে বেআইনী বলে অভিহিত করে। চীনা কমিউনিস্টি পার্টির পত্রিকা পিপলস ডেইলির বৈদেশিক সংস্করণে বলা হয়, বেআইনী দাবি মেনে নেয়া যায় না, বিশেষত যখন সেই দাবি বেআইনী ও উগ্র পথে প্রকাশ করা হয়।

এ্যাডমিরাস্টিতে পুলিশ ও প্রতিবাদীদের মধ্যে সংঘর্ষের একদিন পর অকুপাই সেন্ট্রালের নেতারা কর্মীদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। এর আগে কর্মীরা সরকারী ভবনগুলো ঘেরাও করার চেষ্টা করে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং মরিচের গুঁড়া ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে।