২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৩ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

মাদারীপুরে অবৈধ ইটভাটি, ধ্বংস হচ্ছে ফসল ও গাছপালা


নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর, ১১ নবেম্বর ॥ মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার কাজীবাকাই ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাউতলী গ্রামের শত শত কৃষক ও এলাকাবাসীকে জিম্মি করে লোকালয়ের মধ্যে গড়ে উঠেছে এইচবিএম ব্রিকস নামের একটি ইটভাটি। ফলে ওই এলাকার শত শত একর জমির ফসল ও আশপাশের গাছপালা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পরিবেশ অধিদফতরের হুঁশিয়ারি থাকা সত্ত্বেও ইটভাটির মালিক প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে অবৈধ ইটভাটি চালিয়ে যাচ্ছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, আদম আলী হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ ভাউতলী এলাকার ফসলী জমি ও হাজার হাজার গাছপালার মাঝখানে একটি ইটভাটি স্থাপন করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদফতরকে অভিহিত করলে তারা সরেজমিন অনুসন্ধান কররে ঘটনার সত্যতা পান। সত্যতা পেয়ে ওই সময় তাঁরা ইটভাটির মালিককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন। পরিবেশ অধিদফতরের প্রতিবেদনে উল্লেখ্য করা হয়, ইটভাটিটি ২ একরের মধ্যে সীমিত রেখে লোকালয় ও ফসলী জমি থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ ছিল এবং ইটভাটির মালিক এ বিষয়ে অঙ্গীকার করেন। পরিবেশ অধিদফতর ফরিদপুর জেলা কার্যালয় থেকে প্রেরিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, উল্লেখিত ইটভাটির মালিক তাঁর অঙ্গীকার পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। জরিমানার কথা স্বীকার করে ইটভাটির মালিক মোঃ আদম আলী হাওলাদার বলেন, ‘গভীর করে মাটি কাটা হয়েছে ও জমি অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অবৈধ বানাইছিল একবার। পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে ইটভাটিকে উচ্ছেদের অনুমিত নেয়া হয়েছিল। সেটাকে বাতিল করা হয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে ২ বছরের ফি দেয়া হয়েছে। যার রসিদ আমার কাছে আছে। বৈধ কাগজপত্র প্রক্রিয়াধীনভাবে ঢাকাতে রয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে বলছে, আপনি কাজ চালিয়ে যান। আমরা এটা প্রক্রিয়াধীন রাখি। এটার কাগজপত্র হলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হবে।’

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক জিএসএম জাফর উল্লাহ বলেন, ‘ইটভাটিটি অনেক আগেই অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরও এটা চালানো দ-নীয় অপরাধ। শীঘ্রই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’