২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি কমছে


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চলতি অর্থবছরের (জুলাই-অক্টোবর) চার মাসে রফতানি আয় অর্জিত হয়েছে ৯৬৫ কোটি ডলার। এ সময় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ রফতানি কম হয়েছে। এ হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ শতাংশের কম। একক মাস হিসেবে অক্টোবরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। কর্মপরিবেশ ও শ্রমনিরাপত্তাজনিত কমপ্লায়েন্স ইস্যুর প্রভাব পড়েছে তৈরি পোশাকের ওভেন খাতে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ইপিবির হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৪Ñ১৫ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দেশের পণ্য রফতানিতে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৯৬৫ কোটি মার্কিণ ডলার। যা মোট রফতানি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৭৯ কোটি ডলার কম। আলোচ্য সময়ে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৪৪ কোটি ডলার। এ সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। একক মাস হিসেবে অক্টোবরে পণ্য রফতানি আগের মাস সেপ্টেম্বরের তুলনায় কমেছে। এ সময় রফতানি আয় হয়েছে ১৯৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৮ কোটি ডলার কম। এ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২২৪ কোটি ডলার। এ মাসে লক্ষ্যমাত্রা চেয়ে ১৯.৭৮ শতাংশ কম রফতানি হয়েছে। গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৭.৬৩ শতাংশ। গত বছরের এ সময়ে আয় ছিল ২১১ কোটি ৯২ লাখ ডলার।

ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ৪ মাসে রফতানি আয়ের শীর্ষে রয়েছে নিট পোশাক খাত। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওভেন পোশাক খাত। নিট পোশাক খাতে আয় হয়েছে ৪০৫ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। এ খাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪১৫ কোটি ডলার। কম রফতানি হয়েছে ২ শতাংশ বা ৩৯ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০ দশমিক ৯০ শতাংশ। সে সময় রফতানি আয় ছিল প্রায় ৪০২ কোটি ডলার। ওভেন পোশাকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কম রফতানি হয়েছে। ৪৩০ কোটি ৪২ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ৩৬৯ কোটি ৪২ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময় ওভেনে আয় ছিল ৩৮৬ কোটি ৪১ লাখ ডলার। এদিকে রফতানি আয়ের অন্যান্য খাতের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এ খাতের ২৬ কোটি ২৮ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ২৬ কোটি ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০ দশমিক ৮০ শতাংশ কম। এ সময় কাঁচা পাট রফতানি হয়েছে ৩ কোটি ডলারের এবং সুতা সাড়ে ১৬ কোটি ডলারের। ৪ মাসে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হওয়া পণ্যের তালিকায় রয়েছে চিংড়ি, চা, তামাক, ওষুধ, ফল, কমমেটিকস, প্লাস্টিক, মেলামাইন, আসবাবপত্র, কার্পেট, সিরামিক, ইলেকট্রিক পণ্য, বাইসাইকেল, পিভিসি ব্যাগ, চামড়া, পাদুকা, প্রকৌশল পণ্য, জাহাজ, চামড়া, হস্তশিল্প পণ্য ইত্যাদি।