২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৩ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

হরতালে প্রবৃদ্ধি কমতে পারে ৫ শতাংশ


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টিতে হরতাল এখন কার্যকর উদ্যোগ নয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ী নেতারা। কারণ আজ-কালকের হরতালে জনগণের স্বতঃস্ফ’র্ত অংশগ্রহণ থাকে না। ফলে মিল-কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত থাকে। পরিবহনের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। তবে মাঝে দু-এক দিন সময় পেলেই তা পুষিয়ে নেয়া যায়। তবে হরতালে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন সবচেয়ে বেশি। এ ক্ষতির কারণে বছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি দশমিক ৫ শতাংশ কমে যেতে পারে।

এ প্রসঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক শাহেদ রেজা শিমুল জানান, বড় শিল্প-কারখানার মালিকরা পরিকল্পনা করে হরতালেও কারখানার উৎপাদনব্যবস্থা চালু রাখেন। কিন্তু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পক্ষে এটা সম্ভব হয় না। এ ছাড়া চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পায়। পরিবহন সঙ্কটের কারণে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হন। বাংলাদেশ তৈরি পোশাকশিল্প রফতানিকারক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ জানান, সাম্প্রতিক হরতালে তৈরি পোশাকশিল্পে উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়েনি। জনগণ আর হরতালে সাড়া দিচ্ছে না। কিন্তু এর পরেও ঝুঁকি রয়ে গেছে। পণ্যবাহী পরিবহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না। এতে সাময়িক অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে অনেক কারখানাকে। ঢাকা চেম্বারের এক নিজস্ব জরিপে বলা হয়েছে, এক দিনে হরতালে উৎপাদন ক্ষতি হয় ১৬০০ কোটি টাকা। তবে বর্তমানের হরতালে এ ক্ষতির পরিমাণ এত হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি সবুর খান। তিনি বলেন, ঢাকা চেম্বার ওই জরিপটি যখন করেছিল তখন হরতালের প্রকোপ ছিল বেশি। তৃণমূলে হরতালের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়েছিল। ফলে তখন কল-কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাই ক্ষতির পরিমাণ বেশি ছিল। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, হরতালে কী পরিমাণ ক্ষতি হয় তার সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই।