২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা দাবি


স্টাফ রিপোর্টার ॥ যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর রায়ের পর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিচার বন্ধ দাবি করায় তাঁর বিরুদ্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল-আলম হানিফ। তিনি বলেন, দেশে চলমান যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বহির্বিশ্বের হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীর বাসভবনে বোমা হামলার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করে সংগঠনটি।

‘শেখ হাসিনাকে দেশে আসতে দেয়া ছিল জিয়ার সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত’ মর্মে সম্প্রতি বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, কারও দয়া শেখ হাসিনা দেশে আসেননি। তিনি দেশে এসেছেন জনগণের চাওয়া ও ভালবাসায়। বরং শেখ হাসিনাকে দেশে না আসতে দেয়ার কোন ক্ষমতা অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমানের ছিল না।

গয়েশ্বরকে উদ্দেশে হানিফ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। এই দেশ আপনার নেতা জিয়াউর রহমানের তালুক নয়। আপনার কথায় পরিষ্কার হয়েছে আসলে আপনাদের মাথা থেকে এখনও পাকিস্তানের ভূত দূর হয়নি। আসলে দেশে শান্তি বজায় থাকায় বিএনপির নেতাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে, তাই তারা উল্টো-পাল্টা কথা বলছেন।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, আওয়ামী লীগের গায়ে হাত দিয়ে অতীতেও কেউ রক্ষা পায়নি, এখনও কেউ রক্ষা পাবে না। জামায়াতের ডাকা হরতাল দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করেছে দাবি করে তিনি বলেন, হরতাল দেয়ার পর তদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। দেশের মানুষ তাদের এই হরতাল প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের আগে দেশে কোন সংসদ নির্বাচন হবে না।

সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের জামাতা ডেভিড বার্গম্যানকে বাংলাদেশ থেকে বের করে দেয়ার দাবি জানিয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, এই বার্গম্যান মঙ্গলবার আলজাজিরা টেলিভিশনে সাক্ষাতকারে বলেছেন, বাংলাদেশের কোন আদালতই আন্তর্জাতিক মানের নয়। অর্থাৎ এই ইহুদী জামাই বলেছেন, তার শ্বশুর ও স্ত্রী (ড. কামাল হোসেন ও তার মেয়ে) যে আদালতে প্র্যাকটিস করেন সেই আদালতও আন্তর্জাতিক মানের নয়।’ তিনি বলেন, আদালতের বিরুদ্ধে যে দম্ভোক্তি তিনি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আদালত অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে। তাকে দেশ থেকে বের করে দেয়া উচিত। এই ইহুদিকে কোন অবস্থাতেই বাংলাদেশে থাকতে দেয়া উচিত নয়।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: