২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রাজশাহীর টমেটো ক্ষেতে ক্ষতিকর ভাইরাসের হানা


স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ টমেটো চাষের জন্য ‘লালস্বর্ণ’ খ্যাত রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় এবার মৌসুমের শুরুতেই টমেটো ক্ষেতে ভাইরাসের (পাতা কোকড়ানো) আক্রমণ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন উপজেলার চাষীরা।

এ রোগে প্রথমে টমেটো গাছের কচি পাতা কুকড়িয়ে পুরো গাছটিই ঢলে পড়ে এক সময় মরে যাচ্ছে। প্রতিশেধকমূলক বিভিন্ন কীটনাশক স্প্রে করেও সুফল পাচ্ছেন না কৃষকরা। কৃষকরা বলছেন, গাছে ভাইরাসের হানা দেয়ায় তাঁরা বেকায়দায় পড়েছেন। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টমেটো গাছে হলদে ‘লিফকার্ল’ ভাইরাসের আক্রমণে পাতা মরে যাচ্ছে।

জানা যায়, উপজেলায় এ বছর ২ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন হাইব্রিড জাতের টমেটোর চাষ হয়েছে। গত বছর প্রায় চার হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছিল। গত মৌসুমে অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে কৃষকরা টমেটো চাষ করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। এ কারণে অনেক কৃষকই এবার টমেটো চাষ করতে পারেননি।

উপজেলার বোগদামারী গ্রামের চাষী শেখ ফরিদ জানান, গত বছরের তুলনায় এবার টমেটো চাষ অনেক কম। এরপরও অনেকের টমেটো ক্ষেতে ভাইরাসের আক্রমণ শুরু হয়েছে। ভাইরাস রুখতে অনেক কৃষক জমির টমেটো গাছ তুলে ফেলছেন। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘লিফকার্ল’ নামের এক প্রকার ভাইরাসের কারণে টমেটো ক্ষেতে ‘পাতা কোকড়ানো’ রোগের আক্রমণ হয়ে থাকে। অতি আগাম জাতের গাছ হলে এই ভাইরাস দেখা দেয়। এছাড়া অতিবৃষ্টি এ ভাইরাসের অন্যতম কারণ।

পঞ্চগড়ে চা পাতার মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে চাষীদের মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার, পঞ্চগড় ॥ পঞ্চগড় জেলার চা শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষায় বিদেশ থেকে আমদানিকৃত চায়ের শুল্ক বৃদ্ধি, চা চাষীদের ঋণ ও ভর্তুকি সুবিধা পুনরায় চালু, পঞ্চগড়ে সরকারীভাবে একটি চা প্রক্রিয়াকরণ ফ্যাক্টরি স্থাপন, ব্যক্তি মালিকানাধীন চা ফ্যাক্টরিগুলোর সুষ্ঠু নীতিমালা চালু ও চা পাতার মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে পঞ্চগড়ে চা চাষীরা মানববন্ধন ও ডিসি অফিস ঘেরাও করে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

মঙ্গলবার সকালে পঞ্চগড় শেরেবাংলা পার্ক সংলগ্ন পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা মহাসড়কে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। মানববন্ধন কর্মসূচীতে ক্ষুদ্র চা চাষীরা অভিযোগ করেন, বিদেশ থেকে চা আমদানি করায় চট্টগ্রামস্থ নিলাম মার্কেটে চায়ের মূল্য নিম্নমুখী হওয়ার অজুহাতে পঞ্চগড়ের চা ফ্যাক্টরি মালিকরা ফ্যাক্টরি বন্ধ রেখেছেন। ৩টি ফ্যাক্টরি চালু থাকলেও নিলামের চা বোর্ড নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অর্ধেক মূল্যে চা চাষীরা চা পাতা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে পঞ্চগড়ের ৬শ’র অধিক ক্ষুদ্র চা চাষীরা চা বাগান করে বিপাকে পড়েছে এবং লোকসান গুনছেন। তাঁরা বলেন, সমতল ভূমিতে বিকাশমান এই চা শিল্পকে ধ্বংস করতে দেশী-বিদেশী একটি বিশেষ মহল উঠে-পড়ে লেগেছে। ক্ষুদ্র চা চাষীরা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাঁদের দাবি পূরণ না হলে চা বোর্ডে তালা ঝুলিয়ে দেয়ারও হুমকি দেন।